ইরফানের চলে যাওয়ার একবছর আজ

0
83
It’s been a year without you Irrfan

আজ একবছর হলো ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা ইরফান খানের মৃত্যুর । মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন ধিরুবাই আম্বানি হাসপাতালে ২০২০ সালের ২৯ এপ্রিল শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

মৃত্যুর আগে ইরফান দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন। ওই বছরের ২৮ এপ্রিল রাতে কোলন ইনফেকশন সমস্যা নিয়ে মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন ধিরুবাই আম্বানি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ইরফান। সেখানে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছিল। তবে সে যাত্রায় আর শেষ রক্ষা হয়নি। কোটি কোটি ভক্তকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান ইরফান ।

 প্রসঙ্গত , ১৯৬৭ সালের ৭ জানুয়ারি ভারতের রাজস্থান রাজ্যের জয়পুরের কাছে টঙ্ক গ্রামে মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ইরফান খান। তার মা সাইদা বেগম ছিলেন নবাব পরিবারের মেয়ে। বাবার মৃত্যুর পর তিন ভাইবোনের মধ্যে বড় ইরফান যোগ দেন ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামায়।

ইরফানের সেরা ছবিগুলো

ইরফানের প্রতিভা প্রথম ধরতে পারেন মীরা নায়ার। তাই ১৯৮৮ সালে ‘সালাম বোম্বে’ ছবিতে তাকে নেন তিনি। এরপর তারা ২০০৭ সালে ‘দ্য নেমসেক’ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেন। এছাড়া ২০০৯ সালে ১১টি স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবির সংকলন ‘নিউ ইয়র্ক, আই লাভ ইউ’তে মীরা-ইরফান জুটিকে আরেকবার পাওয়া যায়।আশির দশকে টেলিভিশনে নিয়মিত কাজ করতেন ইরফান খান। এরপর আসিফ কাপাডিয়ার ‘দ্য ওয়ারিয়র’-এর মাধ্যমে তার ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায়। গুণী এই অভিনেতার সেরা কাজের তালিকায় অন্যতম বিশাল ভরদ্বাজের ‘মকবুল’ (২০০৩), সুজিত সরকারের ‘পিকু’ (২০১৫) ও রিতেশ বাত্রার ‘দ্য লাঞ্চবক্স’ (২০১৩)। ২০১২ সালে তিগমাংশু ধুলিয়ার ‘পান সিং তোমর’ ছবিতে অনবদ্য নৈপুণ্য দেখিয়ে সেরা অভিনেতা হিসেবে ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি।

হলিউডের বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করে আন্তর্জাতিক খ্যাতি পেয়েছেন ইরফান খান। এ তালিকায় উল্লেখযোগ্য—ড্যানি বয়েলের ‘স্লামডগ মিলিয়নিয়ার’ (২০০৮), টম হ্যাঙ্কস অভিনীত ‘ইনফারনো’ (২০১৬), অ্যাঙ লি পরিচালিত ‘লাইফ অব পাই’সহ (২০১২), মারভেল স্টুডিওসের ‘দ্য অ্যামাজিং স্পাইডার-ম্যান’ (২০১২), কলিন ট্রেভরো পরিচালিত ‘জুরাসিক ওয়ার্ল্ড’ (২০১৫) ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলি অভিনীত ‘অ্যা মাইটি হার্ট’ (২০০৭)। বাদ যায়নি বাংলাদেশের ছবি। মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর পরিচালনায় ‘ডুব’ ছবিতে দেখা গেছে  ইরফানকে ।

বিনোদন প্রতিদিন পরিবার পক্ষ থেকে ইরফানকে স্মরণ করছি ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here