করোনামুক্ত হবার পরেও চলে গেলেন মিতা হক

0
129

বরেণ্য সংগীতশিল্পী মিতা হক আর নেই।

রবিবার (১১ এপ্রিল) ভোর ৬টা ২০ মিনিটে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর।

তবে শনিবার (১০ এপ্রিল) শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হয়। দেওয়া হয় লাইফ সাপোর্ট।

রবিবার (১১ এপ্রিল) সকালে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মিতা হক দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি ডায়ালাইসিস করাচ্ছিলেন। সম্প্রতি তিনি করোনা পজিটিভ হয়েও সেরে উঠেছিলেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আজই কেরানীগঞ্জে তাকে তার বাবা-মায়ের কবরের পাশে শায়িত করা হবে। এর আগে বেলা ১১টায় ছায়ানটে নেওয়া হবে মরদেহ।

প্রয়াত বরেণ্য অভিনেতা খালেদ খানের সহধর্মীনী মিতা হক ১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। প্রথমে তার চাচা ওয়াহিদুল হক এবং পরে ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খান ও সনজীদা খাতুনের কাছে গান শেখেন। ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি তবলাবাদক মোহাম্মদ হোসেন খানের কাছে গান শেখা শুরু করেন। ১৯৭৭ সাল থেকে নিয়মিত তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে সংগীত পরিবেশনা করতেন। ২০২০ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন মিতা হক। তারও আগে ২০১৬ সালে শিল্পকলা পদক লাভ করেন। এরপর কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মিতা হককে বাংলা একাডেমির রবীন্দ্র পুরস্কার দেওয়া হয়।

তিনি সুরতীর্থ নামে একটি সংগীত প্রশিক্ষণ দল গঠন করেন। এছাড়া তিনি ছায়ানটের রবীন্দ্রসংগীত বিভাগের প্রধান ছিলেন। তিনি রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের সহ-সভাপতিও ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here