করোনা কেড়ে নিলো ফরিদ আহমেদের জীবন

0
140

সংগীত পরিচালক, সুরকার ফরিদ আহমেদ আর নেই। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
করোনায় আক্রান্ত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া সংগীত পরিচালক ফরিদ আহমেদ ১১ এপ্রিল থেকে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ঢাকার দুটি হাসপাতালে করোনার চিকিৎসাসেবা নিচ্ছিলেন তিনি। আজ তাঁর জীবনপ্রদীপ নিভে গেল।
বাবার মরদেহ মীরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করার ইচ্ছা তাঁর পরিবারের, জানিয়েছেন মেয়ে দুরদানা ফরিদ।

গত মাসের শেষ দিকে টানা কয়েক দিন ভীষণ জ্বর ছিল সুরকার ও সংগীত পরিচালক ফরিদ আহমেদের। খাবারে স্বাদ-গন্ধ কিছুই পাচ্ছিলেন না। তিনবার করোনার পরীক্ষা করানো হয়। প্রথম দুই দফায় নেগেটিভ এলেও তৃতীয়বারে কোভিড-১৯ পজিটিভ ধরা পড়ে। এরপর আর বাসায় রাখা হয়নি তাঁকে। পরিবারের সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়ে ২৫ মার্চ রাতে তাঁকে ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করানো হয়। ১৭ দিনের মাথায় তাঁর হাসপাতাল বদল করে তাকে নেয়া হয় স্কয়ার হাসপাতালে। করোনায় ফরিদ আহমেদের ফুসফুস সবচেয়ে বেশি ৬০ শতাংশ সংক্রমিত হয়েছিল।

অনেক কালজয়ী গানের সুরকার ফরিদ আহমেদ। হানিফ সংকেতের ‘ইত্যাদি’-এর টাইটেল সং ‘কেউ কেউ অবিরাম চুপি…’, চ্যানেল আইয়ের ‘আজ জন্মদিন’, ‘ক্ষুদে গানরাজ’, ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’, ‘সেরা কণ্ঠ’ প্রতিযোগিতার থিম সং, উল্লেখযোগ্য। হোসেন বলাইয়ের ‘নিষ্পত্তি’ চলচ্চিত্রে প্রথম সংগীত পরিচালক হিসেবে কাজ করেন ফরিদ আহমেদ। এছাড়া তিনি টেলিভিশন নাটকের জন্য নিয়মিত নেপথ্য সংগীতের কাজ করেছেন। তাঁর মগবাজারের স্টুডিওটি আজ মরু শ্মশানে পরিণত হয়েছে। ফরিদ আহমেদের মৃত্যুতে শিল্পাঙ্গণে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। গুণী এই সুর স্রষ্ঠার জন্য বিনোদন প্রতিদিন পরিবারের পক্ষ থেকে শোক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here