চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কাগজ হাতে পেলেন ১০৩ জন বঞ্চিত শিল্পী (ভিডিও)

অনেক জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গতকাল চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কাগজ হাতে পেলেন ১০৩ জন বঞ্চিত শিল্পী। এর অর্থ দাঁড়ালো তারা এখন থেকে ভোটাধিকার ফিরে পেলেন। পূর্ণ সদস্য হিসেবে সব ধরনের সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন এখন থেকে এই ১০৩ জন।

ঈদের আগেই এই কাগজ তাদের হাতে যাবার কথা থাকলেও সেটি নানা কারনে বিলম্বিত হয়ে গতকাল কার্যকর হয়েছে। চিঠিতে সাক্ষত করেছে সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন এবং সাধারন সম্পাদক হিসেবে নিপুণ আক্তার।

চিঠি হাতে পেয়ে বঞ্চিত এই শিল্পীদের উল্লাস করতে দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন আবেগ, ধন্যবাদ দিয়েছেন বর্তমান কমিটির সভাপতি সাধারন সম্পাদককে। অভিনেত্রী সাদিয়া মির্জা তার ফেসবুক ওয়ালে লিখেছেন

দীর্ঘ ৪ বছর আন্দোলন,সংগ্রামের পর আজ সাকসেস হলাম,দুই বছরের চাদা (২০২২,২০২৩) দিয়ে পূর্ণ সদস্যের কাগজ বুঝে পেলাম, ধন্যবাদ নিপুন আপুকে ,ধন্যবাদ বাংলাদেশ চলচিত্র শিল্পী সমিতি কে।

কিছু কথা না বললেই নয়,কতই না কষ্ট করেছি, হাইকোর্ট পর্যন্ত যেতে হয়েছে, ৪ টি বছর জীবন থেকে চলে গেলো 😔😔😔😔,এই Khokon Pasha ভাই আর আমি হাইকোর্টে খেয়ে না খেয়ে দৌড়িয়েছি,উকিলদের অবস্থা তো জানেনি,এই বলবে ৮ টায় আসেন,এই বলবে ৯ টা,এই বলবে এই কাগজ তো বলবে ওই কাগজ।দুপুরের মধ্যে লাঞ্চ করতে পারা তো ভাবতেই পারিনাই,গরম, ঠান্ডা, বর্ষা যাই হোক যতবার হাইকোর্ট যাই বৃষ্টি যেনো আসতেই হবে,যা আমাকে আশ্চর্য করতো।

কেনো করেছি এসব?নিজের আত্মসম্মান বোধ ফিরে পেতে যা জোর পূর্বক ছিনিয়ে নেয়া হয়েছিলো, পরিচয় ছিনিয়ে নেয়া হয়েছিলো, একজন শিল্পী কি চায়?হে সন্মান, আমি আমরা লড়াই করেছি সন্মান ফিরে পেতে,রাস্তায় দাঁড়িয়ে চিৎকার করেছি, আমরা কি রাস্তার লোক????আমরা শিল্পী, আমি একটা মেয়ে হয়ে পথ চলাটা এতটা সহজ ছিলোনা,৪ টা বছর শান্তিতে ঘুমাতে পারতাম না,সবসময় একটা যন্ত্রণা,রাগ,কি করে চলচিত্রের ১৮৪ জনের সন্মান সহ আমার সন্মান ফিরিয়ে আনবো।আহা চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পরছে এসব ভেবে,,,,,,

কারা যেনো কল দিয়ে হুমকি দিতো,পৃথিবীটা আশ্চর্য লাগতো,মিটিং মিছিল, মিটিং এর মধ্যে ৩গাড়ী ভর্তি আসা র‍্যাবের কাছে বন্দি থাকা,আহ,,

এজলাস এ বিরোধী দলের সাথে মুখোমুখি, হাইকোর্ট এর টয়লেট আহাহহ,,,

কি হতে যাচ্ছে আর কি হবে এচিনতায় এক ঘোরের মধ্যে থাকতাম।তবে কি জানেন আমি আগে জোরে কথা বলতে পারতাম না,সেই আমি আজ আনদোলন করে সাকসেস,প্রতিবাদ করতে পারতাম না,এখন চুল চিরা জবাব দিতে পারি, এর আগে হাইকোর্ট এ জীবনেও ঢুকিনি,কানা ছিলাম,এখন বাদি হয়ে এজলাসে বসে সুখের কান্না করতে করতে নিজের জয় শুনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here