তিনবার একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী পরিচালক স্টিভেন স্পিলবার্গ (ভিডিও)

তিনবার একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী পরিচালক স্টিভেন স্পিলবার্গ

স্টিভেন অ্যালান স্পিলবার্গ একজন সফল মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক এবং প্রযোজক। ১৯৪৬ সালের ১৮ ডিসেম্বর এইদিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন । তিনি তিনবার একাডেমি পুরস্কার লাভ করেছেন এবং চলচ্চিত্র নির্মাণ করে সর্বকালের সবচেয়ে বেশি অর্থ উপার্জনকারী হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছেন। আন্তর্জাতিকভাবে তার চলচ্চিত্র থেকে মোট আয় প্রায় ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ফোর্বস সাময়িকীর তথ্য অনুযায়ী স্পিলবার্গের নেট লাভ হয়েছে ৩ বিলিয়ন ডলার। ২০০৬ সালে প্রিমিয়ার নামক চলচ্চিত্র সাময়িকী তাকে চলচ্চিত্রে শিল্পের সবচেয়ে ক্ষমতাধর এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। টাইম সাময়িকী তাকে শতাব্দীর সেরা ১০০ ব্যক্তিত্বের তালিকায় তার নাম সংযুক্ত করেছে। লাইফ সাময়িকীর ভাষ্য অনুসারে বিংশ শতাব্দীর শেষে তিনি নিজ প্রজন্মের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব।

স্পিলবার্গের চলচ্চিত্র জীবন প্রায় চার দশকের। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি ভিন্ন ভিন্ন অনেকগুলো ধরন নিয়ে কাজ করেছেন। ১৯৭০, ১৯৮০ এবং ১৯৯০-এর দশকের সর্বোচ্চ অর্থ উপার্জনকারী তিনটি চলচ্চিত্রেরই নির্মাতা তিনি। এই চলচ্চিত্র তিনটি হল যথাক্রমে জস, ইটি দ্য এক্সট্রা-টেরেস্ট্রিয়াল এবং জুরাসিক পার্ক। চলচ্চিত্র জীবনের প্রথম দিকে তিনি যেসব বিজ্ঞান কল্পকাহিনীমূলক এবং অ্যাডভেঞ্চার চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন সেগুলোকে হলিউডের আধুনিক ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্রের আর্কটাইপ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। বর্তমান সময়ে তিনি মানবিক আবেগের দিক দিয়ে ক্ষমতাধর ও প্রভাবশালী বিষয়সমূহকে তার চলচ্চিত্রের ধরন হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে দাসপ্রথা, যুদ্ধ এবং সন্ত্রাস।

তাঁর পরিচালিত সিনেমা —

ফায়ারলাইট (১৯৬৪), অ্যাম্বলিন’ (১৯৬৮), ডুয়েল (১৯৭১), দ্য সুগারল্যান্ড এক্সপ্রেস (১৯৭৪), জস (১৯৭৫), ক্লোজ এনকাউন্টার্স অফ দ্য থার্ড কাইন্ড (১৯৭৭), ১৯৪১ (১৯৭৯), রেইডার্স অফ দ্য লস্ট, আর্ক (১৯৮১), ই.টি. দ্য এক্সট্রা-টেরেস্ট্রিয়াল (১৯৮২), টুইলাইট জোন: দ্য মুভি (১৯৮৩) (দ্বিতীয় অংশ), ইন্ডিয়ানা জোন্স অ্যান্ড দ্য টেম্পল অফ ডুম (১৯৮৪), দ্য কালার পার্পল (১৯৮৫), এম্পায়ার অফ দ্য সান (১৯৮৭), ইন্ডিয়ানা জোন্স অ্যান্ড দ্য লাস্ট ক্রুসেড (১৯৮৯), অলওয়েস (১৯৮৯), হুক (১৯৯১), জুরাসিক পার্ক (১৯৯৩), শিন্ডলার্স লিস্ট (১৯৯৩), দ্য লস্ট ওয়ার্ল্ড: জুরাসিক পার্ক (১৯৯৭), আমিস্টাড (১৯৯৭), সেভিং প্রাইভেট রায়ান (১৯৯৮), আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স:, এআই (২০০১), মাইনরিটি রিপোর্ট (২০০২), ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান (২০০২), ই.টি. দ্য এক্সট্রা-টেরেস্ট্রিয়াল: বিংশ শতাব্দী সংস্করণ (২০০২), দ্য টার্মিনাল (২০০৪), ওয়ার অফ দ্য ওয়ার্ল্ডস (২০০৫), মিউনিখ (২০০৫), ইন্ডিয়ানা জোন্স অ্যান্ড দ্য কিংডম অফ দ্য ক্রিস্টাল স্কাল (২০০৮)

প্রযোজিত সিনেমা

আই ওয়ানা হোল্ড ইয়োর হ্যান্ড (১৯৭৮), ইউজ্ড কার্স (১৯৮০), পোল্টারগাইস্ট (১৯৮২), গ্রেমলিন্স (১৯৮৪), ব্যাক টু দ্য ফিউচার (১৯৮৫), দ্য গুনিস (১৯৮৫), ইয়াং শার্লক হোম্স (১৯৮৫), দ্য মানি পিট (১৯৮৬), অ্যান অ্যামেরিকান টেইল (১৯৮৬), থ্রি ও’ক্লক হাই (ক্রেডিট নেননি) (১৯৮৭), ব্যাটারিস নট ইনক্লুডেড (১৯৮৭), দ্য ল্যান্ড বিফোর টাইম (১৯৮৮), ব্যাক টু দ্য ফিউচার ২ (১৯৮৯), ব্যাক টু দ্য ফিউচার ৩ (১৯৯০), গ্রেমলিন্স ২: দ্য নিউ ব্যাচ (১৯৯০), কেইপ ফেয়ার (ক্রেডিট নেননি) (১৯৯১), অ্যান অ্যামেরিকান টেইল: ফিভেল গোস ওয়েস্ট (১৯৯১), দ্য ফ্লিন্টস্টোন্স (১৯৯৪), টুইস্টার (১৯৯৬), মেন ইন ব্ল্যাক (১৯৯৭), ডিপ ইমপ্যাক্ট (১৯৯৮), দ্য মাস্ক অফ জরো (১৯৯৮), জুরাসিক পার্ক ৩ (২০০১), শ্রেক (ক্রেডিট নেননি) (২০০১), Men in Black II (২০০২), ইন্টু দ্য ওয়েস্ট (টিভি মিনিসিরিজ) (২০০৫), দ্য লিজেন্ড অফ জরো (২০০৫), মেমোইর্স অফ আ গাইশা (২০০৫), মনস্টার হাউজ (২০০৬), ফ্ল্যাগ্স অফ আওয়ার ফাদার্স (২০০৬), লেটার্স ফ্রম আইও জিমা (২০০৬), ট্রান্সফরমার্স (২০০৭) ।

তাঁর অভিনীত একটা ছবি দ্য ব্লুস ব্রাদার্স (১৯৮০) । আজ ১৮ ডিসেম্বর । বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক এবং প্রযোজক স্টিভেন স্পিলবার্গ-এর জন্মদিনে বিনোদন প্রতিদিন পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভনিন্দন ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here