ভাইরাল হতেই এমন খবর ছড়ানো হয়েছে : রোজিনা

স্ত্রী মৌসুমীকে বিরক্ত করায় জায়েদকে চড় মেরেছেন ওমর সানী, জায়েদ পাল্টা ক্ষিপ্ত হয়ে বন্দুক বের করে বলেন মারতে চেয়েছেন ওমর সানীকে- শনিবার রাত থেকে এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে। যদিও জায়েদ খান বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেছেন। ভাইরাল হওয়ার জন্যই এমন খবর ছড়িয়েছেন ওমর সানী। দীর্ঘদিন চলচ্চিত্র নিয়ে কোনো আলোচনা সমালোচনা না থাকায় সানী এমন পথ বেছে নিয়েছেন বলে মনে করেন অভিনেত্রী রোজিনা।

এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে রোজিনার নাম উঠে আসে। শুক্রবার রাতে অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলের ছেলে সৌমিকের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমন ঘটনা ঘটে  বলে চাউর হয়। অভিনেতা ডিপজল বলেছেন চড় মারা বা বন্দুক বের করার মতো কোনো ঘটনাই ঘটেনি। একই কথা বললেন অভিনেত্রী রোজিনাও।

রোজিনা সোয়া ৮ টায় অনুষ্ঠানস্থলে আসেন। জায়েদ খান আসেন সাড়ে ৮ টায়। এরপর প্রায় সময়ই জায়েদ খান রোজিনার সঙ্গেই ছিলেন বলে অভিনেত্রী জানান।   এসময় তিনি এমন কোনো ঘটনা দেখেননি।  

রোজিনা বলেন, ‘জায়েদ অনুষ্ঠান চলাকালীন আমার সঙ্গেই ছিল বলা যায় একসঙ্গেই আমরা সকলেই ছিলাম। এ সময় এমন কোনো ঘটেনি। তবে একবার ওমর সানী আমাদের খাবার টেবিলের দিকে এগিয়ে এসেছিলেন। এখন আমাদের চলচ্চিত্রের বাজার মন্দা। এসময় এভাবে কেউ কেউ ভাইরাল হওয়ার চেষ্টা করতেই পারে। কেননা আমি সম্পূর্ণ সময় ছিলাম এমন কিছুই দেখলাম না। আর এখন শুনছি চড় মারা বন্দুক বের করে গুলি করতে চাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। সেখানে একাধিক ক্যামেরা ঘুরছে, মোবাইলে ভিডিও করছে। একটা গণ্ডগোল হলে সেদিকে তো ক্যামেরা ঝাপিয়ে পড়ে। কিন্তু যে ঘটনা ছড়ানো হচ্ছে, তার একটাও ভিডিও তো চোখে পড়ল না। হয়তো তৃতীয় কোনোপক্ষ এই ঘটনা ছড়িয়ে নিজের ফায়দা হাসিল করার চেষ্টা করছে। ’

জায়েদ খান বলেছেন, ওমর সানী অস্বাভাবিক অবস্থায় তাদের খাবার টেবিলের কাছে এলে সামান্য তর্কাতর্কি হয়। এটুকুই। ওমরসানীকে তিনি মাতাল হিসেবেই অভিহিত করেছেন একাধিক পত্রিকার সাথে আলাপকালে। রোজিনা জায়েদ খানের পক্ষের হিসেবে শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হয়েছিলেন। আবার পদত্যাগও করেছেন। মৌসুমী ওমরসানীও একই পক্ষে ছিলেন। কিন্তু নিজেদের মধ্যেই তাহলে এমন প্রপাগান্ডা কেন ছড়ানো হচ্ছে সেই রহস্যের জাল এখনও উন্মুক্ত হয়নি।  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here