শক্তিমান অভিনেতা নারায়ণ চক্রবর্তীর জন্মদিন আজ

0
93
শক্তিমান অভিনেতা নারায়ণ চক্রবর্তীর জন্মদিন আজ

বাংলা সিনেমার শক্তিমান অভিনেতা নারায়ণ চক্রবর্তী। তাঁর জন্ম ১৯২৬ সালে মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার কোলা গ্রামে। তিনি একনাগারে ১৮০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে গেছেন। পূরনো বাংলা সিনেমা দেখতে গেলেই প্রায়ই তার মূখচ্ছবি ভেসে উঠে। তিনি ভিলেন হতে শুরু করে বাবা, বড়লোক ও জমিদারের ভূমিকায় অনবদ্য ছিলেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র অশিক্ষিত (১৯৭৮) গুন্ডা (১৯৭৬) – মি. রহমান আলোর মিছিল (১৯৭৪) – আলোর দাদু তিতাস একটি নদীর নাম (১৯৭৩) চৌধুরী বাড়ী (১৯৭২) কাঁচের দেয়াল (১৯৬৩) কখনো আসেনি (১৯৬১)। তিনি ১৯৯৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী পরলোক গমন করেন।

 বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের জননন্দিত অভিনেতা নারায়ণ চক্রবর্তী। মৃত্যুর আগে ও পরে তিনি জাতীয় পর্যায়ে কোন পুরস্কার পাননি। রাশভারি এ অভিনেতা বাংলা সিনেমায় জমিদার, রাজা, চাকরসহ নানা রকমের অভিনয় করেছেন। পঞ্চাশের দশকে তিনি অভিনয় জগতে আসেন। তিনি একাধিক উর্দু ছবিতে অভিনয় করেছেন। তার প্রথম বাংলা ছবি হচ্ছে মুখ ও মুখোশ। এটি বাংলা চলচ্চিত্রের প্রথম বাংলা ছায়া ছবি। এ অভিনেতার জন্মস্থান হচ্ছে সিরাজদিখান উপজেলার কোলা ইউনিয়নের মধ্য কোলা গ্রামে। নারায়ণ চক্রবর্তী ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দের ১৮ জানুয়ারিতে জন্ম গ্রহণ করেন।

নারায়ণ চক্রবর্তী প্রায় ১৮০ টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হচ্ছে, মুখ ও মুখোশ, এদেশ তোমার আমার, তিতাস একটি নদীর নাম, পদ্মা নদীর মাঝি, লাঠিয়াল, হারানো দিন, আলোর মিছিল, ক খ গ ঘ ঙ, কাগজের নৌকা, মতিমহল, দীপ নিভে নাই, কাঁচের দেয়াল, প্রীত না জানে রীত, শহীদ তিতুমীর, ডুমুরের ফুল, মাটির পুতুল, নীল আকাশের নীচে, অবাঞ্চিত ও বেদের মেয়ে।

নারায়ণ চক্রবর্তী বাধক্যজনিত কারণে ৮২ বছর বয়সে ঢাকার একটি হাসপাতালে ১৯৯৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। নারায়ণ চক্রবর্তীকে তাঁর নিজ বাড়িতে সমাহিত করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here