সত্যজিত থেকে গৌতম ঘোষ সবখানেই দাপুটে শাবানা আজমী (ভিডিও)

সত্যজিত থেকে গৌতম ঘোষ সবখানেই দাপুটে শাবানা আজমী (ভিডিও)

বলিউডে এত সুন্দরীর ভিড়েও শাবানা আজমি বরাবরই নিজস্ব দীপ্তিতে উজ্জ্বল। ‘আর্থ’ ছবির পূজা ইন্দর কিংবা ‘পার’ এর রামা, কোনো চরিত্রেই শাবানা আজমির বিকল্প কাউকে ভাবা যায় না। বাণিজ্যিক ও শিল্প – দুই ধারার ছবিতেই তিনি সফল। ৭১ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী শতবর্ষের বলিউডের আকাশে অরুন্ধতীর মতোই স্থির। শাবানা আজমির জন্ম ১৯৫০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর। সেই মোতাবেক আজ তার জন্মদিন।

শাবানা আজমির অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম চলচ্চিত্র হচ্ছে বিখ্যাত পরিচালক শ্যাম বেনেগলের অঙ্কুর (১৯৭৪)। তারপর শাবানা আজমি সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় শতরঞ্জ কে খিলাড়ি (১৯৭৭) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ১৯৮০-এর দশকে তিনি মৃণাল সেনের জেনেসিস, এক দিন আচানক; খণ্ডহর, সাঈদ মির্জার পরিচালনায় আলবার্ট পিন্টু কো গুসসা কিঁও আতা হ্যায় (১৯৮০); সাই পারাঞ্জপাইয়ের স্পর্শ ও দিশা; মহেশ ভাটের আর্থ ; গৌতম ঘোষের পার (১৯৮৫); অপর্ণা সেনের পিকনিক (১৯৮৯) ও সতী (১৯৮৯) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে সমাদৃত হন। শাবানা আজমি পাঁচবার জয় করেছেন সেরা অভিনেত্রীর ভারতীয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। চারবার সেরা অভিনেত্রীর ফিল্মফেয়ার।

২০০৬ সালে ফিল্মফেয়ার আসরে লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। ফিল্মফেয়ারে সেরা অভিনেত্রী বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছেন আট বার। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়েছেন অনেকবার। ১৯৮৮ সালে পেয়েছেন পদ্মশ্রী। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দিয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পেয়েছেন মহাত্মা গান্ধী পুরস্কার ও রাজীব গান্ধী পুরস্কার। শাবানা আজমি ৬৭ বছর বয়সেও তার অভিনয় ক্যারিয়ারে যেমন ব্যস্ত তেমনি সমাজসেবামূলক কাজেও নিবেদিত। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার কাজে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে প্রচার কাজের সঙ্গে যুক্ত। শিশু অধিকার রক্ষারও একজন কর্মী তিনি। এইচ আইভি এইডস বিষয়ে সচেতনতামূলক কাজে তিনি যুক্ত।

১৯৯৭ সালে কংগ্রেস তাকে রাজ্যসভার সদস্য পদ দেয়। তিনি জাতিসংঘের পপুলেশন ফান্ডের গুডউইল অ্যাম্বাসেডর । সমাজসেবামূলক কাজে বলিউডের আইকন হলেন শাবানা আজমি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here