সব ধরনের শুটিংকে নিরুৎসাহিত করে বিজ্ঞপ্তি

0
150

টেলিভিশন নাটক নির্মাণের আন্তঃ সংগঠনগুলোর সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৪ এপ্রিল থেকে ঘোষিত লকডাউনে নাটকের শুটিংকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। অতি জরুরী শুটিং এর কাজের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে সর্বোচ্চ সাবধানতা অবলম্বন করার তাগিদ দিয়ে আজ একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন তারা। মামুনুর রশীদ চেয়ারম্যান এফটিপিও, ইরেশ যাকের সভাপতি, টেলিপ্যাব, সালাহউদ্দিন লাভলু, সভাপতি ডিরেক্টরস গিল্ড, ও মহাসচিব এফটিপিও, শহীদুজ্জামান সেলিম, সভাপতি অভিনয় শিল্পী সংঘ, মাসুম রেজা, সভাপতি টেলিভিশন নাট্যকার সংঘ, সাজু মুনতাসির, সাধারণ সম্পাদক টেলিপ্যাব, এস এম কামরুজ্জামান সাগর, সাধারণ সম্পাদক ডিরেক্টরস গিল্ড, আহসান হাবীব নাসিম, সাধারণ সম্পাদক অভিনয় শিল্পী সংঘ, এজাজ মুন্না, সাধারণ সম্পাদক টেলিভিশন নাট্যকার সংঘ এর যৌথ সাক্ষরিত এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে –

সংশ্লিষ্ট সকল সদস্যবৃন্দের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সরকার ঘোষিত ১৪ এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিল ২০২১ পর্যন্ত কঠোর লকডাউনে সকল প্রকার চিত্র ধারণের কাজ আন্ত সংগঠন সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ রাখার ব্যাপারে একমত পোষণ করে। কারণ আপনাদের কারোরই অজানা নয়। প্রতিদিন আমরা শিল্পী ও কলাকুশলীদের আক্রান্ত হবার খবর পাচ্ছি যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক । জীবনের আগে কাজ হতে পারে না। তারপরও সরকার ঘোষিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া লক ডাউনের আওতামুক্ত বিধায় অতীব জরুরি চিত্র ধারণ স্বল্প পরিসরে নিম্ন লিখিত শর্ত পূরণ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পাদন করে সেলফ কোয়ারেনটাইন সম্পন্ন করুন।

শর্তসমূহ

১। আন্ত: সংগঠনের দেয়া স্বাস্থ্য বিধি কঠোরভাবে মেনে কাজ শেষ করতে হবে।

২। দৃশ্য ধারণের আগে সংশ্লিষ্ট ইউনিট প্রধান সকল শিল্পী কলাকুশলীর তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ এবং শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য অবহিত থাকবেন।

৩। করোনার এই তীব্রতার মধ্যে পরিস্থিতি বিচারে কোন শিল্পী, কলাকুশলীকে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে চিত্রধারণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার ব্যাপারে জোর করা যাবে না। এই পরিস্থিতিতে যে কোন শিল্পী সঙ্গত যুক্তি দেখিয়ে চুক্তিবদ্ধ কাজ থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করতে পারবেন।

৪। ঢাকা শহর অথবা ঢাকার বাইরে চিত্রধারণে সংশ্লিষ্ট ইউনিট যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি মেনে সকল শিল্পী কলাকুশলীদের আনা নেয়ার জন্য পর্যাপ্ত গাড়ির ব্যাবস্থা করবেন।

৫। সদস্যবৃন্দের যে কোন পরিস্থিতি এড়াতে নিজ নিজ সংগঠনের পরিচয়পত্র সাথে রাখবেন।

৬। যেহেতু প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ আছে অতীব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না। বিধায় জরুরি প্রয়োজনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক প্রদত্ত চলাচলের অনুমতি পত্র ( মুভমেন্ট পাস) নিয়ে বের হবেন।

চিত্রধারণ চলাকালীন কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব হলে আন্তঃসংগঠন পর্যবেক্ষণ দল কে অবগত করুন। আন্ত সংগঠনের দেয়া স্বাস্থ্য বিধি কঠোরভাবে মেনে চলা হচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য পর্যবেক্ষণ দল যে কোন সময় লোকেশনে উপস্থিত থেকে পরামর্শ দিতে পারেন। এবং তা সংশ্লিষ্ট ইউনিটকে মেনে চলতে হবে। পরবর্তীতে সরকার যদি লকডাউনে সকল প্রকার কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন তাহলে সকল প্রকার চিত্রধারণ বন্ধ রেখে পরবর্তী নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আপনাদের সকলের ঐকান্তিক সহযোগিতা, সহমর্মিতাই পারে এই বিপর্যয় রোধ করতে। সর্বত্র স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলুন। লক ডাউনের মধ্যে গৃহে অবস্থান করুন। আপনাদের সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

আন্তঃসংগঠন পর্যবেক্ষণ দলের সদস্যরা হলেন – সাজ্জাদ হোসেন দোদুল, মুনিরা ইউসুফ মেমি, পিকলু চৌধুরী ও আহসান আলমগীর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here