সাবস্ক্রাইবার নির্ভর গানে হতাশ রুনা লায়লা

0
80

বিভিন্ন চ্যানেলে যখন গান প্রচার হয়, শুনে মনে হয়, আমরা অনেক বেশি প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে গেছি। আগে যেমন মিউজিশিয়ানরা বাজাত আর আমরা এক টেক-এ পুরো গান গেয়ে ফেলতাম। এখন দেখি মেশিনই বেশির ভাগ কাজ করছে, ক্ষেত্রবিশেষে সবই করছে। গানের আবেগটা কমে যাচ্ছে। তা ছাড়া আমরা একটু অলস হয়ে যাচ্ছি। এখন এমনও হয়, একবার গেয়ে দিলাম, ১০ বার কপি পেস্ট করে জোড়া লাগিয়ে গান বানিয়ে ফেললাম। শিল্পীদের কণ্ঠের আবেগ হারিয়ে যায় তাতে। আগে শিল্পীদের গাওয়া গানে অনুভূতি অন্যভাবে আসত, অন্যরকম লাগত। আমি ব্যক্তিগতভাবে চাচ্ছি, এখন যারা গান করছে, তাঁদের অবশ্যই নিজের কণ্ঠের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। সবাইকে সুরে গাইতে হবে, শিখে গাইতে হবে, তাহলেই ভালো গান হবে।

এটাও ঠিক, আমাদের অনেক ভালো ভালো শিল্পী আছে। তাদের সুযোগ করে দিতে হবে। এখন কিন্তু আমরা দেখি, প্রত্যেকটা শিল্পী নিজের একটা করে ইউটিউব চ্যানেল খুলেছে। আমার তো মনে হয়, বাধ্য হয়েই শিল্পীরা ইউটিউব চ্যানেল চালু করছে। গান বানিয়ে তারা নিজেদের প্রচার নিজেরাই করছে। এতে করে আবার একটা অসুবিধা হচ্ছে। যাদের চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার কম, তারা ভালো গান তৈরি করলেও সেই গান বেশি শ্রোতার কাছে পৌঁছায় না। প্রতিষ্ঠিত একটা প্রতিষ্ঠান যদি কোনো গান প্রকাশ করে, সেটা অনেক বেশি শ্রোতার কাছে পৌঁছাত। নতুন গান, নতুন প্রজন্ম এবং ইউটিউব নির্ভরশীলতা নিয়ে এক সাক্ষাতকারে তিনি প্রথম আলোকে এসব কথা বলেছেন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here